Breaking News
Loading...

Recent Post

রবিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৩
কেন ভালোবাসলাম? By-Swapnil Soptorshi

কেন ভালোবাসলাম? By-Swapnil Soptorshi

কেন ভালোবাসলাম By-Swapnil Soptorshi

কেন ভালোবাসলাম?
By-Swapnil Soptorshi


বাসে উঠেই তানহা ফেসবুক অপেন করল।
দেখলো সৌরভ online এ আছে
বরাবরের মতই ওর মুখে এক
চিলতে হাসি খেলা করে গেল। 
— ভাইয়া আজকে আবার শহরে যাই...
— কেন? তুমি না সেদিন শহরে গেলে?
আজ আবার কি কাজ??
তানহার মাথায় একটু
দুষ্টুমি খেলা করলো...
— নদী দেখতে যাই আমার পাত্রের
সংগে আপনি তো আর নিয়ে গেলেন ণা?
— ও আচ্ছা ভালো তো।যাও
ঘুরে এসো ভাল লাগবে।
তানহা জানতো সৌরভ এই রিপ্লাই টাই
দেবে।কোন ব্যাপারেই যেন ওর কোন আগ্রহ
নেই।প্রায় ১ বছর হতে চললো ওদের
পরিচয়,বন্ধুত্ত।
ওদের পরিচয় টা ফেসবুকেই।তার পর
আস্তে আস্তে ওদের ভেতর খুব ভাল ১
টা বন্ধুত্ত গড়ে ওঠে।
তানহা এখনকার মেয়ে হলেও এখনো অনেক
টাই কনজারভেটিভ। ওর চেনা জানার
গন্ডী খুব ই সীমিত।ছেলেদের
সংগে প্রয়োজন ছাড়া কথা বলেনা বললেই
চলে।
সেই তানহার জীবনের মোড়টাই
ঘুরিয়ে দিল ফেসবুক।ফেসবুকেও যে ও সবার
সাথে ফ্রীলি মেশে এমন নয়।আর তাই এত
ফেসবুক ফ্রেন্ডের ভীরে অদভুত স্বভাবের
সৌরভের সাথেই ওর বন্ধুত্ত গড়ে ওঠে।
ছেলেটা আর সব ছেলেদের মত নয়।একটু
আলাদা।কেমন জানি একটু রোবটিক
স্বভাবের।ওর যখন যা ইচ্ছা হয় তাই ই করে।
কারো কথার ধার ধারেনা।আবার
মনটা একদম বাচ্চাদের মত নরম।কেমন
জানি ১ টা মায়া লাগে।
অদভুত ছেলেটা চ্যাট করতে করতেই রোজ
ঘুমিয়ে যেত।আর তানহার তো রুটিন ই
হয়ে গেছে যতই ঘুম পাক শৌরভ
ঘুমালে then ঘুমাতে যাওয়া।
সব কিছু ঠিক ই ছিলো কিন্তু তানহাই
ধীরে ধীরে শৌরভের প্রতি উইক
হয়ে পড়ে।
প্রথম দিকে ও নিজের এই
ফিলিংসকে পাত্তা দেয়নি।কিন্তু
ধীরে ধীরে বুঝতে পারে সে সত্যিই
শৌরভ কে ভালবেসে ফেলেছে।তার
পুরো সত্তাটা জুড়ে শুধু ওই অদভুত ছেলেটা।
অথচ ওদের কারোরি নিজের প্রোফাইল
পিকচার না দেওয়া থাকাই তখন অবধি ও
শৌরভ কে দেখেওনি। তখন
অবধি ফেসবুকের বাইরে কোন যোগাযোগ ও
ছিলনা।
তানহা কখনো ওর ভালবাসার কথা শৌরভ
কে বলতে চায়নি।ও জানতো শৌরভ কোন
সম্পর্কে জড়াতে চায়না।ও চায় খুব
সুন্দরী ১ টা মেয়েকে বিয়ে করতে ।আর
ওকে একজন ভাল ফ্রেন্ড হিসেবেই দেখে।
আর তানহাও চায়নি ওদের ফ্রেন্ডশীপের
ভেতরে অন্য কিছু এনে সম্পর্ক টা খারাপ
করতে।ও শুধু চায় যেকোন মূল্যে শৌরভ
কে হ্যাপি দেখতে তাতে করে নিজের যত
কষ্ট ই হোকনা কেন?
তানহা নিজের লাইফেও
কখনো ভাবেনি ওর বিয়ের আগে ও
কাউকে ভালবাসবে।কিন্তু মানূষ
ভাবে এক আর হয় আরেক।ওর ক্ষেত্রেও তাই
হলো
ও নিজেই এটা ঠীক
মেনে নিতে পারতোনা।ও
তো সারাজীবন শুধু ১ জনকেই
ভালবাসতে চেয়েছে।আর ওর সেই
ভালবাসা নিজের অজান্তেই ও শৌরভ
কে দিয়ে বসে আছে।এখন
কিভাবে ভবিষ্যতে আর
কাউকে ভালবাসবে।এসব কারনে ও
নিজেকেই সবসময় অপরাধী ভেবে কষ্ট
পেত।
কিন্তু একদিন ওর ই ভুলের
কারণে ব্যাপারটা শৌরভ জানতে পারে।
শৌরভ ব্যাপারটা স্বাভাবিক ভাবেই
নিয়েছিলো।বলেছিলো এমন হতেই পারে।
ব্যাপারনা।
আমরা তো আজীবন ফ্রেন্ড থাকবো।
কিন্তু শৌরভ জেনে যাবার পর থেকেই
তানহা মাঝে মাঝে খুব ইমোশোনাল
হয়ে যেত।ও শৌরভের প্রতি এত
বেশি weak হয়ে গেছিলো যে।
মাঝে মাঝে খুব পাগলামী করতো।শৌরভ
তানহার পাগলামী গুলা প্রথম
দিকে চুপচাপ মেনে নিত।কিন্তু
পরে নানা কারণে মাঝে কিছুদিন
শৌরভের সাথে তানহার সম্পর্ক
টা খারাপ হয়ে যায়।
শৌরভ তানহার সংগে আর আগের মত
কথা বলতোনা।মাঝে মাঝে রাগ
হইলে যা নয় তাই বলতো।শৌরভের অনেক
ফ্রেন্ড তাই তানহার মত ১ টা ফ্রেন্ড
না থাকলেও শৌরভের কিছু যায় আসেনা।
কিন্তু তানহার পুরোটা পৃথবী ই যেন
শৌরভ।
তাই শৌরভের সব কথা সব
অবহেলা তানহা চুপচাপ সহ্য করতো খুব কষ্ট
পেলে চোখের জল ফেলতো।আবার নিজেই
আগ বাড়িয়ে শৌরভের সাথে কথা বলতো।
বহুবার চেস্টা করেছে শৌরভের
থেকে দুরে সরার কিন্তু পারেনি।যত
দুরে যেতে চেয়েছে ততই কি অদৃশ্য
টানে আরো কাছে টানতো তাকে ওই
অদভুত ছেলেটা।
শৌরভ ও যত যাই হোক তানহার
ওপরে বেশিক্ষন রাগ
করে থাকতে পারতোনা।হয়তো ওর ও
পাগলী মেয়েটার
ওপরে মায়া পরে গেছিলো।এভাবেই
কখনো রোদ কখনো বৃষ্টির মতো ওদের
মিষ্টি বন্ধুত্ত টা এখনো টিকে আছে।
বাসে বসে শৌরভের সংগে চ্যাট
করতে করতে তানহা পুরোনো দিনের এসব
কথাই ভাবছিল।
সামনের ৪ তারিখে শৌরভের সাথে ওর
ফ্রেন্ডশীপের ১ বছর পূর্ণ হবে।
মাত্র ১ বছর অথচ মনে হয় যেন যুগ যুগ ধরে ওর
শৌরভের সংগে পরিচয়।
মাথাটা হঠাৎ ই ঘুরে উঠলো আজ এক্সাম
ছিল তাই কাল প্রায় সারারাত ই
জেগে ছিল তার ওপর টানা ৪
ঘন্টা পরিক্ষা দিয়েই আবার
জার্নি শহরের উদ্দেশে শরীর টা আর
চলছেনা তানহার।
তারপরো যেতে হবে।এখন পর্যন্ত ও
সেভাবে একা একা চলাফেরা বা
কেনাকাটা
করা শিখে উঠতে পারেনি।আজ ওর রুমমেট
আপু শহরে যাবে তাই আপুর সাথে আজ
না গেলে আর যাওয়াই হবেনা।যত কষ্ট ই
হোক আজ তাকে যেতেই হবে।ওদের
ফ্রেন্ডশিপের ১ বছর উপলক্ষে ও চায়
শৌরভের জন্য স্পেশাল কিছু করতে।
জীবনে প্রথম কোন ছেলের জন্য কিছু
করবে তাই খুব এক্সাইটেড।
ওর ইচ্ছা খুব ছোট কিন্তু খুব সুন্দর
একটা গিফট দিবে।গিফট কোন
ব্যাপারনা কিন্তু ওটার ভেতরে তানহার
সব ভালবাসা জমা থাকবে।
যেইটা শৌরভের কাছে সারা জীবন
থাকবে।
তানহাহয়তো হারিয়ে যাবে কিন্তু
তানহার
স্রীতি হিসেবে ওটা থেকে যাবে
শৌরভের
কাছে।
তানহা খুবি সাধারণ একটা মেয়ে তাই
চাইলেও শৌরভের জন্য সে নিজের
ইচ্ছা মতো যা খুশি তাই করতে পারবেনা।
তাই ও চায় ওর সাধ্যমতো যতটুকু সম্ভব
করতে।
তানহা নিজের জন্য প্রয়োজনের
বাইরে কখনো কিছু কেনেনা বললেই চলে।
ওর চাহিদাও খুব কম।তাই
মার্কেটে গেলে খুব ১
টা ঘোরাঘোরি বা বাছা বাছি করেনা।
যেটা দরকার সেটা খুব সহজেই পছন্দ
করতে পারে।
কিন্তু আজকের ব্যাপারটা পুরাই আলাদা।
তার জীবনের সবচাইতে স্পেশাল মানুষ
টার জন্য কিছু কিনবে।আজকে ওর কিছুই
যেন পছন্দ হচ্ছিলোনা।অনেক দোকান
ঘুরে ঘুরে অবশেষে খুব ছোট্ট কিন্তু খুব সুন্দর
১ টা গিফট পছন্দ করলো।
ওখানে কাচের ভেতরে ছোট্ট সুন্দর ২
টা পুতুল সাজানো ছিলো।১ টা ছেলে পুতুল
আর ১ টা মেয়ে পুতুল।ওরা যেন পুতুল নয়
স্বয়ং তানহা আর শৌরভ।
তারপর অনেক বেছে বেছে খুব সুন্দর ১
টা কার্ড কিনলো। ওখানে খুব সুন্দর কিছু
কথা লিখে দেবে।
ওদিকে মাথাটা ব্যাথাটা ক্রমে বেড়েই
চলেছে।
আরো কাজ বাকি। একি ক্যাম্পাসে পড়ার
কারনে আর দুজনেই হলে থাকে বিধায়
ইতিমধ্যে ওদের দুবার দেখা হয়েছে।কিন্তু
সেগুলার কথা ছিলো পুরোই আলাদা।তখন
সংগে আরো অনেকেই ছিল আর তখন
তানহার ভালবাসার ব্যপারে শৌরভ কিছুই
জানতোনা।
তারপর থেকে তো তানহা লজ্জায় আর
শৌরভের সামনে পরতে চাইতোনা।ক্যাম্প
াসে গেলে মনে মনে শৌরভ কে খুজতো শুধু
মাত্র এক পলক দেখার জন্য।
কিন্তু কখনো ওর
সামনা সামনি পরতে চাইতোনা।
তাই এবারের দেখা হওয়াটা তানহার
কাছে একটু অন্যরকম আবার খুব স্পেশাল ও।
জীবনে কোনদিন কোন ছেলের সংগে আর
এভাবে দেখা করেনি।তাই
শৌরভ হঠাৎ করে সেদিন
দেখা করতে চাওয়ায়
তানহা প্রথমে রাজি হয়নি।
পরে চিন্তা ভাবনা করে নিজেই শৌরভ
কে বলে ১৫ দিন পর ওদের ফ্রেন্ডশীপের ১
বছর পূর্তি হবে সে দিন ই দেখা করবে।আর
এর মাঝে ওর এক্সাম ও শেষ হয়ে যাবে।
শৌরভ ও রাজি হয়ে যায়।
গিফট কেনা শেষ এখন আরেকটা কাজ
বাকি।শৌরভের পছন্দের রং সবুজ তাই
তানহার খুব ইচ্ছা এবার ও সবুজ ড্রেস
পরে গিয়ে সৌরভ কে সারপ্রাইজ দিবে।
তাই ড্রেসের
সাথে ম্যাচিং করে এখনো ওড়না কেনা
বাকি।
এক্সাম থাকায় ড্রেসটাও
এখনো তইরি করতে দেওয়া হয়নি সামনে
আরেকটা এক্সাম
আছে এসব চিন্তায় মাথাটা আবার
ঘুরে উঠলো।
কেনাকাটা শেষে ক্যাম্পাস
বাসে উঠে দেখে পা ফেলার মত
যায়গা নাই।এত ভীর।এদিকে দুদিনের
পরিশ্রম আর ঘুমের অভাবে মাথা আর চোখ
দুটো যেন অবশ হয়ে আসছে।পা টা ও টলছে।
ও কোন রকমে ১ টা সীট
ধরে দাড়িয়ে থাকলো।
বহু কষ্টে সে হলে পৌছে নিজের
রুমে ঢুকেই বিছানায় শুয়ে পড়লো।
মাথাটা ততক্ষনে যেন ছিড়ে যাচ্ছে।
গা গুলাচ্ছে আর চোখ দুটো যেন পুরো অবশ
হয়ে গেছে।পুরো ১ ঘন্টা তানহা বিছানায়
পরে থাকলো।ওর পুরোনো মাথার
সমস্যাটাই আবার দেখা দিয়েছে।
একবারে নিজের ওপরে এতটা প্রেশার
দেওয়া বোধহয় ঠিক হয়নি।
তারপরো তানহার মনে একরাশ প্রশান্তি।
ও আজ শত কষ্ট সয়েও তার ভালবাসার
মানুষটার জন্য কিছু কিনেছে সে এক
অন্যরকম অনুভুতি।
সেই সুখের কাছে তো হাজারো কষ্ট হার
মেনে যায়।সেদিন সারাটা রাত
তানহা মাথা যন্ত্রনায়
ঘুমাতে পারলোনা।ভোরের দিকে নামায
পড়ে একটু ঘুমালো।
তারপর দুদিন এটা সেটা নানা ব্যস্ততাই
কাটলো আর মাঝে মাঝেই তানহা গিফট
গুলো বের করে করে দেখে।আপুকে বার বার
জিজ্ঞেস করে আর কি করা যায়।ওর কান্ড
দেখে আপু শুধু মিটি মিটি হাসে।ও
নিজেও সারাদিন ভাবে আর
কি করা যায়? শেষে ঠিক করে ওদিন
বাগান থেকে ফুল তুলে খুব সুন্দর ১ টা ফুলের
তোড়া বানাবে আর শৌরভ
পুলি পিঠা খেতে খুব পছন্দ করে তাই ওর
জন্য এবার আলুর পুলি বানাবে। রুমে যখন
কেঊ থাকেনা তখন ও চুপি চুপি নতুন
কেনা সবুজ
ওড়নাটা পড়ে ঘুরে ফিরে আয়নায়
নিজেকে দেখে আর এসব ই ভাবতে থাকে।
আর দুদিন বাদেই ৪ তারিখ।দুপুরে শৌরভ
কে অনলাইন এ পেলো
—ভাইয়া....
—হুম বলো..
— ৪ তারিখের জন্য রেডি থেকেন কিন্তু।
—ক্যান?? ওদিন কি??
তানহা ভাবলো শৌরভ বুঝি ওর
সাথে আবার' ফান করছে।
—ওদিন কি মানে? ওদিন আপনি আসবেন
আমার সংগে দেখা করতে।
—নাহ। আমি আসবনা।
—কেন?
—৪ তারিখ বলে কোন কথা নাই তাই।
আমি আর আসবোনা।
—ভাইয়া আপনি কি ফান করছেন?
আপনি কি সিরিয়াসলি আসবেন না?
— নাহ। আসবোনা। ওদিন টাকেই এত গুরত্ব
দেবার তো কিছু নাই।
—আপনার কাছে না থাকতে পারে কিন্তু
আমার কাছে আছে।
—সে জণ্যই তো আসবোনা।
তানহা নিজের কানকে যেন বিশ্বাস
করতে পারছিলোনা।
—ভাইয়া। আপনি এসব কি বলছেন?
—ভাইয়া, আমি আপনাকে শুধু এক বার
রিকুয়েস্ট করবো।শুধু ৫ মিনিটের জন্য
আপনি একবার শুধু আসবেন ভাইয়া প্লীজ।
আমি আর কিচছু চাইনা।
—আচ্ছা। তুমি এটা নিয়ে এত সিরিয়াস
কেন বলোতো? ইচ্ছা করলে তো রোজ ই
দেখা হতে পারে।
— আমি কিচ্ছু শুনতে চাইনা।আপনি শুধু
আসবেন" কিনা বলেন?
—নাহ।আসবোনা।
তানহার মাথায় যেন
আকাশটা ভেংগে পড়লো।এ কয়দিনের সব
আশা কষ্ট গুলো এক নিমিশেই ধুলোয়
মিশে গেলো।'
কেউ যেন
একটা ধারালো ছুড়ি দিয়ে ওর ৃদয়টা ক্ষত
বিক্ষত করে দিলো।
—আছা ঠিক আছে। আপনার যা ইচ্ছা।
আমি আর আপনাকে কিচ্ছু বলবোনা।
—হুম।থ্যাংকস। দ্যাটস লাইক এ গুড গার্ল।
—আচ্ছা থাকেন।বাই
—কই যাও।রাগ করলা নাকি?
তানহার চোখ দিয়ে তখন অবিরাম অশ্রু
ধারা বয়ে যাচ্ছে।শৌরভ কে সে তার
কিছুই বুঝতে দিলোনা।
—নাহ।রাগ করিনি।খেয়েছেন দুপুরে?
বলেই তানহা একটা স্মাইল ইমো দিল।
—হুম। তুমি?
তানহার বুকের ভেতরটা তখন
ফেটে যাচ্ছিলো।আর স্বাভাবিক
ভাবে কথা বলা ওর পক্ষে সম্ভব ছিলোনা।
কাজ আছে বলে ও শৌরভ কে বাই
দিয়ে দিলো।
তারপর বিছানায় লুটিয়ে পড়লো।পাশেই
ওর কেনা সবুজ ওড়না,জোড়া পুতুল,আর সেই
কার্ড।সব পরে আছে।
ইচ্ছা হলো সব ছুড়ে ফেলে দেয়।
ছিড়ে টুকরোটুকরো করে ফেলে।কিন্তু
পারলোনা।ও
তো জানে কতটা ভালবাসা,কতটা কষ্ট
আর পরিশ্রম মিশে আছে ওই জিনিষ গুলোর
মাঝে।কারো গ্রহণ করা বা না করার
সাথে তো ওর ভালবাসার কোন সম্পর্ক
নাই।
রুমে আপু আর নীতু ঘুমাচ্ছে।ভাগ্যিস ও
কাদলে কোন শব্দ হয়না।তাই কেউ
তানহার নীরব আর্তনাদের কিছুই টের
পেলোনা।
কিন্তু তানহার ইচ্ছা হচ্ছিলো চিতকার
করে কান্না করতে।তাহলে বোধহয় একটু
শান্তি পেত।
কাপা কাপা হাতে ফোনটা হাতে নিয়ে ও
শৌরভের ছবি বের করলো।ছেলেটার
চেহারার ভেতর এমন কিছু
একটা আছে যা দেখলে তানহা সব কষ্ট
ভুলে যায়।
কিন্তু তানহার চোখের জল আর আজ
কিছুতেই বাধা মানেনা।
ফোটা ফোটা চোখের জলে পড়ে ফোনের
স্ক্রীনে শৌরভের মুখটা ঝাপসা হয়ে যায়।
অতি যত্নে সে জল টা সে মুছে দেয়। এত
কষ্ট এত অবহেলায় ও শৌরভের ওপর ওর
সামাণ্য তম রাগ ক্ষোভ বা ঘৃণা নাই।
কখনোই হয়না।বড়জোর একটু অভিমান হয়।
কিন্তু ওর সেই অভিমান ও কেউ
কখনো ভাঙাতে আসেনা ।
তানহা যখন আশাভঙের তীব্র যন্ত্রনায়
কাতর তখন কখন জানি আপু এসে ওকে পেছন
থেকে জড়িয়ে ধরলো।
এবার তানহার সব বাধ ভেংগে গেলো।
বাচ্চা শিশুর মত আপুর
বুকে মুখটা গুজে ডুকরে কেদে ঊঠলো।মনের
মাঝে হাজারো প্রশ্ন ঝড় তুলেছে কিন্তু
মুখে কোন ভাষা নেই।
শুধু একটা কথাই বললো....
—আপু
—কেন ভালবাসলাম???
—কেন???
বুধবার, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৩
no image

ভালবাসার পিছে By Mostafizur Firoz


মনে পড়ে সেই দিনের কথা,
যেদিন তুমি দিয়েছিলে এ বুকে ব্যাথা ।।

আমি কি দোষ করেছিলাম,
ভুলে না হয় তোমাকে ভালবেসেছিলাম ।।

দিয়েছিলে যত ব্যাথা, কষ্ট, দুঃখ,
ততই হয়েছি আমি ভালবাসাতে বুভুক্ষ ।।

কখনো বলিনি থাকো একটু পাশে,
আমাকে আরেকটু ভালবেসে ।।

তবুও গেলে চলে,
আমাকে একা ফেলে।।

আজো আমি আছি বেঁচে,
তোমার ভালবাসার পিছে ।।


আজ ফেসবুকে ঢুকে কোনো কাজ পাচ্ছিলাম নাহ। তাই কি ভেবে কবিতাটা হঠাৎ করে মাত্র ২৫মিনিটের ভিতর লিখে ফেললাম।
রবিবার, ডিসেম্বর ০১, ২০১৩
আপনার ব্লগে খুব সহজেই Related Post Widget যোগ করুন

আপনার ব্লগে খুব সহজেই Related Post Widget যোগ করুন

Related Posts

আপনার ব্লগের মাধ্যমে আপনি আপনার মনের কথাগুলো সবার সাথে শেয়ার করতে পারেন। আপনার ব্লগের নতুন নতুন ডিজাইন আপনার ব্লগটাকে করে তুলবে আরো আকর্ষণীয়। এই Related Post Widget আপনার ভিজিটরদের কাছে আপনার পোস্টগুলোকে করে তুলবে আরো জনপ্রিয়।


ডেমোঃ
সর্বপ্রথম ডেমো দেখুন এখান থেকে।


কার্যপ্রণালীঃ
১। আপনার ব্লগার ব্লগে লগিন করে ড্যাসবোর্ডে যান।

Add a Gadget ২। মেনু থেকে লে-আউট এ যান এবং Add a Gadget সিলেক্ট করুন।

select Html Javascript ৩। সেখান থেকে Html/JavaScript সিলেক্ট করুন।

৪। পপ-আপ মেনুতে একটি বাক্স ওপেন হবে।

Add Content ৫। টাইটেল বাক্সটা ফাঁকা রাখুন এবং কন্টেন্ট বক্সে নিম্নলিখিত কোডটা কপি করে পেস্ট করুন।
<script src=”http://ajax.googleapis.com/ajax/libs/jquery/1.3.2/jquery.min.js” type=”text/javascript”></script>
<script src=”http://blogger-related-posts.googlecode.com/files/related-posts-widget-1.0.js” type=”text/javascript”></script>
<script type=”text/javascript”>
relatedPostsWidget({
‘containerSelector’:'div.post-body’
,’loadingText’:'loading…’
});</script>


৬। এবার সেভ করুন এবং পেয়ে যান আপনার Blogger Recent Post Widget.


আপনি যদি সবগুলো কাজ ঠিকভাবে করেন তাহলে আপনার ব্লগসাইটেও এমন একটি Recent Post Widget যোগ হবে। যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু।
শনিবার, নভেম্বর ০২, ২০১৩
রবি সিম দিয়ে আপনার কম্পিউটার ফোনে সবখানে আনলিমিটেড ফ্রি নেট ব্যবহার করুন

রবি সিম দিয়ে আপনার কম্পিউটার ফোনে সবখানে আনলিমিটেড ফ্রি নেট ব্যবহার করুন

Robi Unlimited Free Net
রবির থ্রিজি আপগ্রেডের কারনে তাদের সার্ভারে সমস্যা হচ্ছে। তাই এই সুযোগে আপনার কম্পিউটার, ফোন, ট্যাব এককথায় যা দিয়ে নেট ব্যবহার করা যায় সবখানে ফ্রি নেট চালাতে পারবেন। আপনি শুধু রবি সিম দিয়ে কানেক্ট দিবেন আর ফ্রি নেট ব্যবহার করবেন। এজন্য আপনার কোনো প্যাকেজ এক্টিভেট করা লাগবে না বা সিমে মেয়াদ না থাকলেও চলবে।

জাভা ফোনে ব্যবহারঃ
আপনি এমনিতেই রবি সিমটা ঢুকিয়ে শুধু কানেক্ট দিলেই হবে। আর যদি ফোনে কনফিগারেশন না থাকে তাহলে আগে জিপি সিমটা লাগিয়ে মেসেজ অপশনে গিয়ে All লিখে 8080 তে পাঠিয়ে দিন। তারপর যে কনফিগারেশনটা পাবেন সেটা সেভ করুন। তারপর আপনার রবি সিমটা লাগিয়ে কানেক্ট দিয়ে আনলিমিটেড নেট ব্যবহার করা শুরু করেন ।

সিম্বিয়ানে ব্যবহারঃ
সিম্বিয়ানেও জাভার পদ্ধতিতে কানেক্ট দিন অথবা জিপি সিম ব্যবহার করে কনফিগারেশন নিন। তা না হলে নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে কনফিগিরেশন করে নিন।
Symbian Robi Free net Configuration 
প্রথমে যানঃ Setting>Connection>Destinations>Access Point
Connection Name: Firoz.me
Access Point Name: gpinternet
Options থেকে Advanced Settings এ যান
Proxy Server Address: 10.128.1.2
Proxy port Number: 8080
এবার কনফিগারেশনটা Default দিয়ে রবি সিম দিয়ে কানেক্ট দিন এবং আনলিমিটেড নেট ব্যবহার শুরু করুন।

Android Robi Free net Configuration
এন্ড্রয়ডে ফ্রি নেটঃ
এন্ড্রয়ডেও জাভার নিয়মে কনফিগারেশন নিয়ে ব্যবহার করুন। যদি না পারেন তাহলে ম্যানুয়ালি কনফিগারেশন করে নিন।
Connection Name: Firoz.me
Access Point Name: gpinternet
Proxy Server Address: 10.128.1.2
Proxy port Number: 8080
এবার কনফিগারেশনটা Default দিয়ে রবি সিম দিয়ে কানেক্ট দিন এবং আনলিমিটেড নেট ব্যবহার শুরু করুন।

কম্পিউটারে ব্যবহারঃ
কম্পিউটারে রবি সিম লাগিয়ে ডিফল্ট কনফিগারেশন দিয়ে কানেক্টশন দিয়ে আনলিমিটেড নেট ব্যবহার শুরু করে দিন। যদি কানেকশনে ঝামেলা করে তাহলে Tools>Options>Profile Mnagement এ গিয়ে নতুন প্রোফাইল তৈরী করে নিন।
Robi Free Net Configuration
Profile Name: Firoz.me (যা মন চায়).
APN: gpinternet
এবার এটা সেভ করে এই প্রোফাইল ব্যবহার করে আপনার পিসিতে আনলিমিটেড নেট ব্যবহার শুরু করে দিন।

ডিসকানেক্ট সমস্যার সমাধানঃ
অনেকের নাকি রবি সিমে কিছু সময় পর পর ডিসকানেক্ট হয়ে যাচ্ছে। এজন্য আপনি রিকানেক্ট সফটওয়্যারটা ব্যবহার করতে পারেন। এটা ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে । তাছাড়া আপনি মেয়াদহীন সিম ব্যবহার করতে পারবেন। এটাতে কখনো ডিসকানেক্ট হবে না। আমি এই মেয়াদহীন সিম দিয়েই ডিসকানেক্টহীন আনলিমিটেড নেট ব্যবহার করছি।

বিঃদ্রঃ এটা রবি এর সার্ভার সমস্যার কারনে ফ্রি নেট ব্যবহার করা যাচ্ছে। তাই, যেকোনো সময়ই এটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

যতদিন না বন্ধ হয়, এভাবে ফ্রি নেট ব্যবহার করতে থাকুন। কারো কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। যারা এই পদ্ধতিতে আনলিমিতেড ফ্রি নেট ব্যবহার করছেন, তারাও কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু।
সোমবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৩
২০১৩ সালের বেস্ট প্রিমিয়াম রেস্পন্সিভ ফ্রি ব্লগার টেমপ্লেট

২০১৩ সালের বেস্ট প্রিমিয়াম রেস্পন্সিভ ফ্রি ব্লগার টেমপ্লেট

Blogger Template

 

এখন সময়টা এমন এসেছে যে, আপনার একটা ব্লগসাইট অথবা ওয়েবসাইট না থাকলেই নয়। তাই ইন্টারনেট সম্পর্কে একটু ভালোভাবে জানি আর ওয়েবসাইট নেই এমন খুব কম পাওয়া যাবে, সেটা হোক না ফ্রি ব্লগার অথবা ওয়ার্ডপ্রেস এ বানানো। এর মধ্য অনেকে আবার ডোমেইন-হোস্টিং কিনেও ব্লগিং শুরু করে দিয়েছেন। আমি অবশ্য ব্লগারকেই সর্বদা বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমার এই সাইটটাও ব্লগারে বানানো। আজ আমি আপনাদের সাথে এমন একটি ব্লগার টেমপ্লেট শেয়ার করবো, যেটা নিঃসন্দেহে আপনি পছন্দ না করে পারবেন নাহ। আর এই টেম্পলেটটা ব্যাবহার করলে, আপনার ওয়েবসাইট দেখে আপনি নিজেই চমকাবেন।

 

এই টেম্পলেটটার নাম FreshLife । এই টেমপ্লেটটা আমার এত ভালো লেগেছে যে আমি এটা আমার নিজের সাইটেই ব্যাবহার করেছি। টেমপ্লেটটা কেমন তার একটা ছবি দেখুন নিচে।

 Freshlife Template Demo

 

ছবি দেখে যদি না বুঝতে পারেন, তাহলে টেমপ্লেটটার ডেমো দেখুন এখানে

 

 

ফিচারঃ

1. 2 column Blog, 4 column footer.

2. Magazine style.

3. Wordpress converted.

4. Magnificent search box.

5. Ads Ready, Header Banner.

6. Featured posts Gadget, Recent comments gadget.

7. Top Navigation Banner.

8. Social Icons.

9. Sharing Side Bar.

10. Responsive template.

11. Related posts widget.

12. Magnificent comment list with Admin preference.

13. Awesome Email subscription Widget.

 

টেমপ্লেটটা ভালো লাগলে ডাউনলোড করুন এখান থেকে অথবা এখান থেকে

 

বিঃদ্রঃ আপনি এটার ফুটার কিন্তু এডিট করবেন না, তাহলে কিন্তু এটা আর কাজ করবে না। তখন আপনার সাইটে না গিয়ে ওদের সাইটে চলে যাবে। তাই এই টেমপ্লেটটা ব্যাবহারের আগে অবশ্যই আপনার আগের টেম্পলেটের ব্যাকআপ রেখে নিবেন।

 

আমি বলতে পারি, এমন ফ্রি প্রিমিয়াম রেস্পন্সিভ টেমপ্লেট আপনি আর একটাও পাবেন না। টেমপ্লেট জনিত কোনো সমস্যা হলে কমেন্ট করতে কিন্তু ভুলবেন নাহ।

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৩
জিপি সিম দিয়ে আপনার কম্পিউটারে ফ্রি নেট চালান

জিপি সিম দিয়ে আপনার কম্পিউটারে ফ্রি নেট চালান

Gp Free interNet আজ আমি খুব সহজে আপনার কম্পিউটারে ফ্রি নেট চালানোর পদ্ধতির কথা বলবো। আমি মনে করি, এটাই কম্পিউটারে ফ্রি নেট চালানোর সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। আপনি খুব সহজেই এই পদ্ধতিতে ফ্রি নেট চালাতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

একটি কম্পিউটার, মোডেম, জিপি সিম, প্রক্সিফায়ার সফটওয়্যার, রিকানেক্ট সফটওয়্যার।

কার্যপদ্ধতিঃ

আপনি তিনটি ধাপে আপনার কনফিগারেশন সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

প্রথম ধাপঃ মোডেম কনফিগারেশনঃ

১. আপনার মোডেম সফটওয়ারটি ওপেন করুন।
২. এবার মোডেমের Tools> Options> Profile Management এ যান।
৩. এখান থেকে New তে গিয়ে নতুন কনফিগারেশন করে নেন নিচের মত।
Profile Name: যা মনে চায়, সেটা দিন।আমি দিলাম GPMMS ।
APN: Static সিলেক্ট করে Box এ লিখুন gpmms
না বুঝলে চিত্রটা দেখতে পারেন।Gp modem free net configuration
৪. এবার এটা সেভ করুন।

দ্বিতীয় ধাপঃ প্রক্সিফায়ার কনফিগারেশনঃ

১. এখান থেকে প্রক্সিফায়ার সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করে নেন।
২. আমি এটা আপনার জন্য কনফিগারেশন করে দিয়েছি।
৩. কাজ না হলে নিচের চিত্রের মত কনফিগারেশন করে নেন। Proxy setup

তৃতীয় ধাপঃ ফ্রী নেট কানেকশনঃ

১. প্রথমে Proxifier.exe ফাইলটা ওপেন করুন।
২. এবার Reconnect সফটওয়্যারটা এখান থেকে ডাউনলোড করে নেন।
৩. ডাউনলোডের পর এটা ওপেন করে setting এ যান। এখান থেকে gpmms সিলেক্ট করে Ok করুন।Reconnect setting
৪. মোডেমটা ঢুকিয়ে Reconnect সফটওয়্যার এর কানেক্ট বাটন চাপুন।
৫. দেখবেন আপনার মোডেমটা কানেক্ট হয়ে লাল থেকে নীল বর্ণ ধারণ করেছে।
৬. আপনি এখন সফলভাবে ফ্রী নেট চালাতে সক্ষম হয়েছেন।
এভাবে আপনি খুব সহজে আপনার কম্পিউটারে জিপি সিম দিয়ে ফ্রী নেট চালাতে পারবেন। আর কোনো সমস্যা হলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। আর উপকার পেলে একটা কমেন্ট করে এবং সবার সাথে শেয়ার করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেও ভুলবেননা কিন্তু ।
বুধবার, আগস্ট ১৪, ২০১৩
এবার বাংলালিংকে ফ্রী ফেসবুক ব্যবহার করুন

এবার বাংলালিংকে ফ্রী ফেসবুক ব্যবহার করুন

Banglalink Free Internet

ফ্রি ব্যবহার করার মজাই আলাদা। আর সেটা যদি হয় ফেসবুক তাহলে তো কোনো কথায় নাই। এতদিন আমরা গ্রামীণফোন, এয়ারটেল ফ্রি ফেসবুক ব্যবহার করেছি। এবার আপনি বাংলালিংকেই পারবেন ফ্রি ফেসবুক ব্যাবহার করতে।


কিভাবে ব্যবহার করবেন?

খুব সহজেই এটা আপনার মোবাইল ফোনে ব্যবহার করতে পারবেন। তার আগে আপনার ফোনে ইন্টারনেট একটিভ করা থাকতে হবে। এজন্য আপনার ফোনের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন P1 এবং সেটা বাংলালিংক সিম থেকে পাঠিয়ে দিন 3343 নাম্বারে। এর জন্য কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না। তখন তারা আপনাকে তিনটা ইন্টারনেট কনফিগারেশন পাঠাবে, সেগুলো আপনার ফোনে সেভ করে রাখবেন। আর যদি না পাঠায়, তাহলে আবার মেসেজে গিয়ে লিখুন All এবং Send করুন 3343 নাম্বারে (ফ্রি)।

এখন ব্রাউজারে ওপেন করে শুধু অ্যাড্রেসবারে www.facebook.com না লিখে https://0.facebook.com  লিখবেন। এটা কিন্তু (o)ও নয়, এটা হল জিরো (0). এবার ফ্রি ফেসবুক ব্যবহার শুরু করুন। প্রথমবার এরর দিতে পারে। পরেরবার আবার চেষ্টা করুন, দেখবেন কাজ হয়ে যাবে।
এই সার্ভিসটা বাংলালিংক থেকেই চালু হয়েছে, তাই আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া বা ব্লক হওয়ার কোনো ভয় নেই।

এতে একটাই সমস্যা যে, আপনি ফ্রিতে কোনো ছবি দেখতে পারবেন নাহ। আপনি যখনি ছবি দেখতে যাবেন, তখনি তারা আপনাকে একটা নটিফিকেশন দিবে। আপনি ইচ্ছা করলে টাকা খরচ করে সকল ছবি দেখতে পারবেন।

এই নিয়মে আপনি জিপি, এয়ারটেলে ফ্রি ফেসবুক ব্যবহার করতে পারবেন।


এখন বিনামূল্যে ফেসবুক ব্যবহার করতে থাকুন এবং হয়ে উঠুন আরো বেশি সোসিয়াল। আর সমস্যা হলে কমেন্ট করতে ভুলবেন নাহ।
শনিবার, জুলাই ২৭, ২০১৩
একটা সফটওয়্যারই কম্পিউটারের আলো থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করবে

একটা সফটওয়্যারই কম্পিউটারের আলো থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করবে

এখনকার সময়ে কম্পিউটার আর ইন্টারনেট শব্দ দুইটা আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। এই দুইটা ছাড়া মনে হয় আমাদের জীবন চলেই না। আর ফেসবুকের কল্যাণে তো কম্পিউটারের সামনে প্রতিদিন দুই ঘন্টা না বসলেই নয়, এমন লোক খুব কমই পাওয়া যাবে। তাছাড়া কম্পিউটারে বসে দৈনন্দিন পত্রিকা পড়ার কথা আর নাই বা বললাম। এমন অনেক সময় কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে এর আলোতে আমাদের চোখে প্রবলেম শুরু হয়। আজকে আমি আপনাদের এমন একটি সফটওয়্যার এর কথা বলবো যেটা আপনার কম্পিউটারের মনিটরের আলো নিয়ন্ত্রণ করে আপনার চোখকে সুরক্ষিত রাখবে।


এই সফটওয়্যারটির নাম F.lux । এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার মনিটরের আলো বাড়িয়ে-কমিয়ে আপনার মনিটরের আলোকে আপনার চোখের জন্য সংবেদনশীল রাখবে



ডাউনলোডঃ
এটা উইন্ডোজ এর সকল ভার্সনেই কাজ করবে। ডাউনলোড করুন এখানথেকে অথবা এখান থেকে

কার্যপ্রণালী
১। সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নেন।

২। সফটওয়্যারটা ওপেন করলে আপনি সব অপশন দেখতে পাবেন।

৩। এটা যখন ওপেন করবেন তখন এটা আপনার টাইম-জোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিলেক্ট করে নিবে এবং আপনার মনিটরের আলোকে হ্যালোজেন, ফ্লুরোসেন্ট অথবা ডে-লাইট এ পরিবর্তন করবে।

৪। আপনি Change Setting অপশন ব্যাবহার করে আপনার নিজের মত করে সেটিংস করতে পারবেন।

৫। সেটিংস অপশনে গেলে আপনি আপনার দিনের অথবা রাতের আলোকে নিজের পছন্দ মতো বাড়িয়ে-কমিয়ে নিতে পারবেন।

৬। আপনি আপনার সঠিক Latitude দিয়ে আপনার লোকেশন ঠিক করে দিতে পারবেন।

৭। কালার সেনসিটিভ কাজ যেমন ওয়েব-ডিজাইনিং, ফটো-এডিটিং, অ্যানিমেশন তৈরি, গ্রাফিক্স-ডিজাইনিং এর সময় এটাকে ডিজেবল বাটন দ্বারা বন্ধ করে রাখতে পারবেন।




কিভাবে বুঝবেন এটা আপনার কম্পিউটারে কাজ করছে কিনাঃ
এটা আপনি খুব সহজেই নির্ণয় করতে পারবেন। শুধু আপনি এই সফটওয়্যারটাকে কিছু সময়ের জন্য ডিজেবল করে রাখুন। এবার আপনার মনিটরের স্ক্রীনের আলোর পার্থক্য দেখেই বুঝতে পারবেন F.lux কিভাবে আপনার মনিটরের আলোকে নিয়ন্ত্রণ করছিল।





আমি এই সফটওয়্যারটি অনেক দিন ধরে ব্যাবহার করছি। আমি এটা ব্যবহার করে অনেক উপকার পেয়েছি। তাই, আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে। যদি কোন সমস্যা হয়, তাহলে কমেন্ট করতে ভুলবেন নাহ। আপনাকে সাহায্য করার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। 

বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৩
মোবাইলে বাংলা লিখুন পাণিনী কিবোর্ড দিয়ে

মোবাইলে বাংলা লিখুন পাণিনী কিবোর্ড দিয়ে

Panini KeyPad
মোবাইলে বাংলা লেখা যদিও একটু কষ্টের, তবুও লিখে সবার সাথে শেয়ার করার মজাই আলাদা। যারা এমন লেখে তারাই এটার গুরুত্ব বুঝবে। গত পর্বে আমি দেখিয়েছিলাম কিভাবে অপেরা দিয়ে মোবাইলে বাংলা লিখে সেটা এসএমএস করা যায় অথবা ফেসবুকে শেয়ার করা যায়। আজ আমি দেখাবো কিভাবে পাণিনী কিবোর্ড দিয়ে মোবাইলে বাংলা লিখে সেটা সবার সাথে শেয়ার করা যায় অথবা কাউকে এসএমএস করা যায়। এটা সকল জাভা এবং সিম্বিয়ান এবং এন্ড্রয়েড ফোনে কাজ করবে।

ডাউনলোডঃ

জাভা এবং সিম্বিয়ানঃ কোন কথা নয় প্রথমেই পাণিনী কিবোর্ডটা এখান থেকে অথবা এখান থেকে ডাউনলোড করে নেন।

এন্ড্রয়েড ডাউনলোডঃ চিন্তার কোনো কারন নেই, এটা এন্ড্রয়েড ফোনের জন্যও আছে। আপনি এটা আপনার এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য ডাউনলোড করেতে পারেন এখান থেকে

 

কার্যপ্রণালীঃ

Write Text
১। এবার অ্যাপ্লিকেশনটা আপনার ফোনে ইন্সটল করে নেন।

২। এটা ওপেন করলেই আপনি এটার সবকিছু বুঝতে পারবেন। যারা না বুঝতে পারবেন তাদের জন্য তো আমি আছি।

৩। লিখুন অপশনটা সিলেক্ট করুন।

Writeable Box
৪। এবার আপনি একটা লেখার বক্স দেখতে পাবেন যার নিচে অনেকগুলা অক্ষর কিপ্যাড এর ১,২,৩......... বাটন অনুসারে সাজানো আছে।

৫। আপনি উপর-নিচ করে অথবা মাঝের বাটন চেপে বিভিন্ন অক্ষর আনতে পারবেন।

৬। আপনি যে অক্ষরটা লিখতে চান সেটা যে অক্ষর এর বক্সে থাকবে সেটা প্রেস করুন।

৭। এভাবে একের পর এক উপর-নিচ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত লেখাটা লিখুন।

Save Text
৮। লেখা শেষ হলে অপশন থেকে রক্ষন করুন।

৯। এবার অপশন থেকে ফেরত এ গিয়ে খসড়া এর ভিতর ঢুকুন ।

Draft
১০। এখানে আপনার লেখাটা দেখতে পাবেন এবং সেটা ওপেন করুন ।

১১। এবার সেটা কাউকে এসএমএস হিসেবে পাঠাতে পারবেন।

১২। আর আপনি যদি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতে চান অথবা কোথাও পোস্ট করতে চান, তাহলে ওখান থেকে মার্ক করে কপি করুন। আপনার যদি কোয়ার্টি কী-প্যাড ফোন হয়, তাহলে Ctrl+A চেপে সব মার্ক করে Ctrl+C দিয়ে সব কপি করতে পারবেন। কোথাও সেটা পেস্ট করতে চাইলে Ctrl+V চাপুন।
Yes, I can


এছাড়া আপনি এটা দিয়ে হিন্দি, তেলেগু, মারাঠি, তামিল, গুজরাঠি, কান্নাডা, মালাইলাম, অরিয়া, পাঞ্জাবী, আসামি, শিভা, ইংলিশ ভাষাতেও লিখতে পারবেন। শুধুমাত্র অপশন থেকে ভাষা নির্বাচন করলেই হবে।



প্রথম প্রথম আপনার লিখতে একটু কষ্ট হতে পারে। দুই-একদিন লেখার পরে দেখবেন খুব সহজে আর দ্রুত লিখতে পারছেন। এটার ওয়ার্ড সাজেশন আপনাকে দ্রুত লিখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। আর প্রবলেম হলে তো আমি আছিই, শুধু কমেন্ট করতে না ভুললে হল।

রবিবার, জুলাই ১৪, ২০১৩
no image

লিরিক্সঃ পথ চলতে; মুভিঃ জাগো

পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
বার বার শুধু ফিরে চাওয়া
বার বার একই গান গাওয়া
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে।।

নিলীমার প্রাণে মুগ্ধ চোখে
নীরবে শুধু চেয়ে থাকা
কারো দুটি খোলা চোখে
অপলক যেন শুধু দেখা।
ভালো লাগা ভালো লাগা
মন ভালো লাগা
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে ।।

সময় যেন কাটে না আর
একঘেয়ে লাগেনা কিছু
সময় হীনা মন শুধু
ছুটে যায় স্বপ্নের পিছু
ভালো লাগা ভালো লাগা
শুধুই ভালো লাগা
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।

পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
বার বার শুধু ফিরে চাওয়া
বার বার একই গান গাওয়া
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।
এটাই বোধয় ভালবাসা,
এটাই বোধয় প্রেম।
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে।।

পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে
পথ চলতে পথ চলতে
কখনোও পিছু থমকে।।


টাইটেলঃ পথ চলতে।

মুভিঃ জাগো।
Quick Message
Press Esc to close
Copyright © 2012-2014 Mostafizur Firoz All Right Reserved. | Designed by Wrongdhonu. | Powered by Tips And Tricks World. |